মাকে বাঁচাতে গিয়ে বাবার হাতে নৃশংস ভাবে খুন হল ক্লাস নাইনের ছাত্রী পলি দাস। এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জ থানার নরম কলোনী এলাকায়। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। অভিযোগ শুক্রবার দুপুরে প্রদীপ কুমার দাস তার স্ত্রী সুচিত্রা দাস কে শাবল দিয়ে মারতে চাইছিলেন। কয়দিন থেকেই বাড়িতে অশান্তি করছিলেন তিনি। সুচিত্রা দেবী কে দু'বার শাবল দিয়ে মারতে যান প্রদীপ। দু'বার পলি কোনো ক্রমে বাবাকে ধাক্কা দিয়ে মাকে প্রানে বাঁচিয়ে দিলেও মা এর আঘাত লাগে কোমরে ও কাধে। কোনো ক্রমে ঘর থেকে পালিয়ে বাঁচেন মা। পাড়া প্রতিবেশীকে ডেকে বাড়ি ফিরেই দেখেন পলি ঘরের মেঝেতে শুয়ে আছে, রক্তে ভেসে যাচ্ছে মেঝে। এলাকায় খবর ছড়িয়ে পরতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পরে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন রায়গঞ্জ থানার পুলিশ। পলাতক বাবা প্রদীপ দাস। মা সুচিত্রা-র হাহাকারে এলাকায় শোকের ছায়া।
সুচিত্রা দেবী হাহাকার করতে করতে জানিয়েছেন, পলিকে মেরে ফেলবে এটা ভাবতে পারিনি। কিছুদিন থেকেই গাজা খেয়ে এই ধরনের অত্যাচার করেই চলছিল ওর বাবা। পলিকে মেরে ফেলবে এটা ভাবতে পারিনি।
পলির দাদা প্রশান্ত দাস জানিয়েছেন, স্থানীয় মাড়াইকুরা ইন্দ্রমোহন বিদ্যালয়ে ক্লাস নাইনে পড়তো তার বোন পলি। বাবার মাথার কিছু সমস্যা চলছিল। তারপরেই আজ এই ঘটনা। এলাকার বাসিন্দারা দাবী করেছেন খুনী বাবার দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি চাই।